Header Ads

Header ADS

বাংলাদেশে গজল বা ইসলামি গানের ইতিকথা

মধ্যযুগ থেকে যেভাবে আমরা গজল বা ইসলামি সংগীত পেলাম

মধ্যযুগ থেকেই বাংলা কবিতা ও গানে মুসলিম সাহিত্যের সম্পৃক্ততা লক্ষ্য করা যায়। বাংলা ভাষার প্রথম মুসলিম কবি শাহ মুহম্মদ সগীরের 'ইউসুফ-জোলেখা' বা দৌলত উজি বহরাম খানের 'লাইলি-মজনু' গল্পের গল্পের গানগুলো গ্রামে গাওয়া হয়েছিল বা বইয়ের আবৃত্তি ছিল। এই দিনগুলিতে এগুলি ইসলামিক গান বা গজল হিসাবে পরিচিত ছিল।

তবে বাংলা গানটি মধ্যযুগ পেরিয়ে আধুনিক যুগে এসেছিল এবং সংগীত সমৃদ্ধ হতে থাকলেও বাংলা ইসলামিক গান সেভাবে চলতে পারেনি। গ্রাম-মহল্লায় কিছু লোকসঙ্গীত প্রচলিত হলেও সুধিজনদের দ্বারা এটি প্রশংসিত হয়নি। সেখানে না থাকার কারণ রয়েছে। যদিও সে সময়ের প্রচলিত ইসলামী গান বা গজল বাংলা গানের ধর্মতাত্ত্বিক তাত্পর্য ছিল, তবুও গান হিসাবে এর মান বা সুরে অনেক বাধা ছিল।

তাই, বিংশ শতাব্দীতে বাঙালি মুসলমানরাও উর্দু গান শুনে বা গান গেয়ে তাদের আধ্যাত্মিক চাহিদা পূরণ করত। লোকগান অনুসারে কিছু বাঙালি ইসলামিক গান সমাজে প্রচলিত ছিল। এর সংগীতের মূল্য বিবেচনা করে অভিজাত বাঙালি মুসলমানদের কাছে এগুলি খুব বেশি ছিল না। দেয়ারড্রে বাজারে ইসলামী গানে উর্দু গজল বা কাওয়ালি গান বিক্রি করতেন। এই কথা শুনে বাঙালি মুসলমানদের ভক্তিমূলক গানের তৃষ্ণা নিবারণ করতে হয়েছিল। এই সময়েই কাজী নজরুল ইসলাম মাহির হয়ে আত্মপ্রকাশ করেছিলেন। তাঁর অসাধারণ শৈল্পিক দক্ষতায় সমস্ত ইসলামী গান একের পর এক তৈরি হতে শুরু করে। শীঘ্রই ইসলামী গানগুলি বাংলা সংগীতের একটি নতুন শাখায় পরিণত হয়।আর ধীরে ধীরে আমাদের দেশে গজল বা ইসলামি সংগীত এর চর্চা বাড়তে থাকে

                                             

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.